প্রমদারঞ্জন রায় (১৯শে জুন, ১৮৭৪ - ১৯৪৯) ছিলেন একাধারে প্রকৃতিপ্রেমী, লেখক ও সরকারি জরিপ বিভাগের কর্মকর্তা। জন্ম ময়মনসিংহের মসুয়া গ্রামে। তার পিতা কালীনাথ রায়। প্রমদারঞ্জন কলকাতা মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউট থেকে এন্ট্রাস পাশ করার পর মেট্রোপলিটন কলেজ থেকে এফ.এ. সম্পন্ন করেন। পরবর্তীকালে তিনি শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সার্ভে পাশ করেন এবং সরকারি জরিপ বিভাগে যোগ দেন। কর্মজীবনে তাকে বেলুচিস্তান, শ্যাম (থাইল্যান্ড) ও বার্মার (মিয়ানমার) দুর্গম অঞ্চলে জরিপের কাজে নিয়োজিত হতে হয়। এই অভিজ্ঞতাই তাকে প্রকৃতির প্রতি আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করে এবং তার লেখার মূল অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে। প্রমদারঞ্জন রায়ের লেখালিখির শুরু ১৯১৩ সালে। একসময় তিনি উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী সম্পাদিত শিশু-কিশোরদের জনপ্রিয় পত্রিকা 'সন্দেশ'-এ নিয়মিত লিখতেন।আরও দেখুন
প্রমদারঞ্জন রায় (১৯শে জুন, ১৮৭৪ - ১৯৪৯) ছিলেন একাধারে প্রকৃতিপ্রেমী, লেখক ও সরকারি জরিপ বিভাগের কর্মকর্তা। জন্ম ময়মনসিংহের মসুয়া গ্রামে। তার পিতা কালীনাথ রায়।
প্রমদারঞ্জন কলকাতা মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউট থেকে এন্ট্রাস পাশ করার পর মেট্রোপলিটন কলেজ থেকে এফ.এ. সম্পন্ন করেন। পরবর্তীকালে তিনি শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সার্ভে পাশ করেন এবং সরকারি জরিপ বিভাগে যোগ দেন। কর্মজীবনে তাকে বেলুচিস্তান, শ্যাম (থাইল্যান্ড) ও বার্মার (মিয়ানমার) দুর্গম অঞ্চলে জরিপের কাজে নিয়োজিত হতে হয়। এই অভিজ্ঞতাই তাকে প্রকৃতির প্রতি আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করে এবং তার লেখার মূল অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে।
প্রমদারঞ্জন রায়ের লেখালিখির শুরু ১৯১৩ সালে। একসময় তিনি উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী সম্পাদিত শিশু-কিশোরদের জনপ্রিয় পত্রিকা 'সন্দেশ'-এ নিয়মিত লিখতেন।