Hotline: 01793 296202· সকাল 10টা – সন্ধ্যা 6টা
আদর্শ

পাহাড়ের লাল আখ্যান: পার্বত্য চট্টগ্রামে সিরাজ সিকদার ও সর্বহারা পার্টির অজানা সশস্ত্র সংগ্রামের দলিল


পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাস বলতেই চোখের সামনে ভাসে কেবল সেনাবাহিনী বনাম শান্তিবাহিনীর সংঘাত। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই পাহাড়েই রচিত হয়েছিল সিরাজ সিকদারের নেতৃত্বে ‘পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি’র এক রোমাঞ্চকর ও রক্তঝরা অধ্যায়, যা মূলধারার ইতিহাসে বিস্মৃতপ্রায়? চন্দ্রঘোনা থানা দখল থেকে শুরু করে ফারুয়া ক্যাম্প অপারেশন—গেরিলা যুদ্ধের সেই শিহরণ জাগানো অপ্রকাশিত সত্য এবার উঠে এসেছে তিন প্রত্যক্ষদর্শী কমান্ডারের কলমে। পাহাড়ের রাজনীতি ও সংগ্রামের পূর্ণাঙ্গ চিত্র বুঝতে ‘পাহাড়ের লাল আখ্যান’ আপনার পাঠ্য তালিকায় থাকা আবশ্যিক। আরও পড়ুন

  • এই বইয়ে 20% ছাড়, আপনার সাশ্রয় 120৳
  • 1,499৳+ অর্ডারে ফ্রি ডেলিভারি
  • সরাসরি প্রকাশকের কাছ থেকে · 100% অরিজিনাল
  • ক্যাশ অন ডেলিভারি: বই হাতে পেয়ে টাকা দিন
  • ত্রুটিপূর্ণ বই 7 দিনের মধ্যে বদল
  • এই বইয়ে 20% ছাড়, আপনার সাশ্রয় 120৳
  • 1,499৳+ অর্ডারে ফ্রি ডেলিভারি
  • সরাসরি প্রকাশকের কাছ থেকে · 100% অরিজিনাল
  • ক্যাশ অন ডেলিভারি: বই হাতে পেয়ে টাকা দিন
  • ত্রুটিপূর্ণ বই 7 দিনের মধ্যে বদল
সুদত্ত বিকাশ তঞ্চঙ্গ্যা

সুদত্ত বিকাশ তঞ্চঙ্গ্যার জন্ম ১৯৫১ সালে। রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার শামুকছড়ি গ্রামে। ১০ বছর বয়সে শৈশবের বসতি হারান কাপ্তাই বাঁধের জলে। ঠাঁই নেন রাজস্থলীতে। উনসত্তরের উত্তাল সময়ে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নে যুক্ত হন। একাত্তরের মার্চে অসহযোগ আন্দোলনকালে রাজস্থলীতে উত্তোলন করেন মানচিত্রখচিত বাংলাদেশের পতাকা। যুদ্ধ ও যুদ্ধোত্তর ‘স্বপ্নভঙ্গ’ তাঁকে পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টিতে যোগদানে উদ্দীপ্ত করেছিল। ছয় মাস পরই তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক পরিচালক হন। ১৯৭৪ সালে কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম ‘রাজনৈতিক সাহায্যকারী’ হিসাবে মনোনীত হন। সংগ্রামী চড়াই-উতরাইয়ের মধ্যে ১৯৭৭ সালে গ্রেফতার হয়ে যান। ১৯৮৯ সালে দীর্ঘ কারাভোগের ইতি ঘটে। মুক্তি পেয়ে নিজেকে সামাজিক আন্দোলনে যুক্ত করেন। হয়ে ওঠেন ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বন ও ভূমি অধিকার রক্ষা আন্দোলন’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। অনন্ত সিংহ উদার মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আগত সংবেদনশীল এই তরুণ এদেশের ইতিহাসের নির্ণায়ক নানা ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে পরিভ্রমণ করেছেন। সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন আটষট্টির আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, উনসত্তরের গণ-আন্দোলন, সত্তরের স্বাধীনতা আন্দোলন ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে। ছাত্রাবস্থায়ই সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদের আদর্শে তাঁর দীক্ষালাভ। ‘পূর্ববাংলা শ্রমিক আন্দোলন’-এর সাথে তাঁর যোগাযোগ ছিল। যুদ্ধপূর্ব সময়কালে তিনি ‘লাহোর প্রস্তাব বাস্তবায়ন কমিটি’র সামরিক শাখার সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ১৯৭২-এ তিনি ‘পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি’র সার্বক্ষণিক কর্মী হিসেবে যোগ দেন। দীর্ঘ পার্টিজীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালন করেছেন। অং চিং সচ্ছল শিক্ষিত মধ্যবিত্ত চাকমা পরিবারে তাঁর জন্ম। ইংরেজিতে মাস্টার্স করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। আধুনিক চাকমা ভাষার কবি তিনি। রাঙ্গামাটি কলেজে অধ্যাপনারত অবস্থায় পার্টিতে সপরিবারে সার্বক্ষণিক কর্মী হিসেবে যোগদান করেন। সামাজিক প্রতিষ্ঠা ত্যাগ করে দুটি শিশুসন্তান ও শিক্ষিতা স্ত্রী নিয়ে অনিশ্চিত, কষ্টকর পথে তাঁর পা বাড়ানো যেকোনো স্থান ও কালের বিচারেই বিরল ঘটনা। তাঁর স্ত্রীও পাহাড়ি জনগণের মধ্যে পার্টির কাজ করেছেন। সচেতনতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে নিরহঙ্কার এই মানুষটি অনেক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে থেকে কাজ করেছেন। তাঁর অনন্য কৃতিত্ব হচ্ছে অত্যন্ত রক্ষণশীল ম্রো জনগোষ্ঠীর একজন হয়ে ওঠা। আরও দেখুন

পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাস বলতেই চোখের সামনে ভাসে কেবল সেনাবাহিনী বনাম শান্তিবাহিনীর সংঘাত। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই পাহাড়েই রচিত হয়েছিল সিরাজ সিকদারের নেতৃত্বে ‘পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি’র এক রোমাঞ্চকর ও রক্তঝরা অধ্যায়, যা মূলধারার ইতিহাসে বিস্মৃতপ্রায়? চন্দ্রঘোনা থানা দখল থেকে শুরু করে ফারুয়া ক্যাম্প অপারেশন—গেরিলা যুদ্ধের সেই শিহরণ জাগানো অপ্রকাশিত সত্য এবার উঠে এসেছে তিন প্রত্যক্ষদর্শী কমান্ডারের কলমে। পাহাড়ের রাজনীতি ও সংগ্রামের পূর্ণাঙ্গ চিত্র বুঝতে ‘পাহাড়ের লাল আখ্যান’ আপনার পাঠ্য তালিকায় থাকা আবশ্যিক।

বইয়ের তথ্য

বইয়ের নামপাহাড়ের লাল আখ্যান
লেখকসুদত্ত বিকাশ তঞ্চঙ্গ্যা
বিষয়বইমেলা ২০২৫, Memoir
প্রকাশকআদর্শ
ISBN9789849900382
সংস্করণ১ম প্রকাশ
পৃষ্ঠা240
সুদত্ত বিকাশ তঞ্চঙ্গ্যা

সুদত্ত বিকাশ তঞ্চঙ্গ্যার জন্ম ১৯৫১ সালে। রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার শামুকছড়ি গ্রামে। ১০ বছর বয়সে শৈশবের বসতি হারান কাপ্তাই বাঁধের জলে। ঠাঁই নেন রাজস্থলীতে। উনসত্তরের উত্তাল সময়ে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নে যুক্ত হন। একাত্তরের মার্চে অসহযোগ আন্দোলনকালে রাজস্থলীতে উত্তোলন করেন মানচিত্রখচিত বাংলাদেশের পতাকা। যুদ্ধ ও যুদ্ধোত্তর ‘স্বপ্নভঙ্গ’ তাঁকে পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টিতে যোগদানে উদ্দীপ্ত করেছিল। ছয় মাস পরই তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক পরিচালক হন। ১৯৭৪ সালে কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম ‘রাজনৈতিক সাহায্যকারী’ হিসাবে মনোনীত হন। সংগ্রামী চড়াই-উতরাইয়ের মধ্যে ১৯৭৭ সালে গ্রেফতার হয়ে যান। ১৯৮৯ সালে দীর্ঘ কারাভোগের ইতি ঘটে। মুক্তি পেয়ে নিজেকে সামাজিক আন্দোলনে যুক্ত করেন। হয়ে ওঠেন ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বন ও ভূমি অধিকার রক্ষা আন্দোলন’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। অনন্ত সিংহ উদার মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আগত সংবেদনশীল এই তরুণ এদেশের ইতিহাসের নির্ণায়ক নানা ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে পরিভ্রমণ করেছেন। সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন আটষট্টির আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, উনসত্তরের গণ-আন্দোলন, সত্তরের স্বাধীনতা আন্দোলন ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে। ছাত্রাবস্থায়ই সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদের আদর্শে তাঁর দীক্ষালাভ। ‘পূর্ববাংলা শ্রমিক আন্দোলন’-এর সাথে তাঁর যোগাযোগ ছিল। যুদ্ধপূর্ব সময়কালে তিনি ‘লাহোর প্রস্তাব বাস্তবায়ন কমিটি’র সামরিক শাখার সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ১৯৭২-এ তিনি ‘পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি’র সার্বক্ষণিক কর্মী হিসেবে যোগ দেন। দীর্ঘ পার্টিজীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালন করেছেন। অং চিং সচ্ছল শিক্ষিত মধ্যবিত্ত চাকমা পরিবারে তাঁর জন্ম। ইংরেজিতে মাস্টার্স করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। আধুনিক চাকমা ভাষার কবি তিনি। রাঙ্গামাটি কলেজে অধ্যাপনারত অবস্থায় পার্টিতে সপরিবারে সার্বক্ষণিক কর্মী হিসেবে যোগদান করেন। সামাজিক প্রতিষ্ঠা ত্যাগ করে দুটি শিশুসন্তান ও শিক্ষিতা স্ত্রী নিয়ে অনিশ্চিত, কষ্টকর পথে তাঁর পা বাড়ানো যেকোনো স্থান ও কালের বিচারেই বিরল ঘটনা। তাঁর স্ত্রীও পাহাড়ি জনগণের মধ্যে পার্টির কাজ করেছেন। সচেতনতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে নিরহঙ্কার এই মানুষটি অনেক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে থেকে কাজ করেছেন। তাঁর অনন্য কৃতিত্ব হচ্ছে অত্যন্ত রক্ষণশীল ম্রো জনগোষ্ঠীর একজন হয়ে ওঠা।

একসাথে কিনুন

View all

যারা এটি কিনেছেন, তারা আরও কিনেছেন20টি বই; পাশে টেনে দেখুন

পাহাড়ের লাল আখ্যান: সুদত্ত বিকাশ তঞ্চঙ্গ্যা-এর লেখা বইমেলা ২০২৫ বই। adarsha.bd থেকে কিনুন, Cash on Delivery ও সারা দেশে ডেলিভারিসহ।

1,499৳+ ফ্রি ডেলিভারি

20% off600৳480৳

In Stock
1