Skip to Content

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় শিক্ষাব্যবস্থা

সন্তানের ‘নলেজ গ্যাপ’ দূর করে তাকে ফিউচার-রেডি বা ‘সুপার হিউম্যান’ হিসেবে গড়ে তোলার পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন


1st Published, 2024
আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ‘সবার জন্য একই দাওয়াই’ (One size fits all) নীতির কারণে ক্লাসের পর ক্লাস পার করলেও শিক্ষার্থীদের মনের ভেতর রয়ে যাচ্ছে বিশাল ‘নলেজ গ্যাপ’ । ফলে জ্যামিতি বা প্রোগ্রামিংয়ের মতো বিষয়গুলোকে তারা ভয় পাচ্ছে, ভাবছে তাদের মেধা নেই । কিন্তু সমস্যা মেধার নয়, পদ্ধতির। এই বইটিতে রকিবুল হাসান দেখিয়েছেন কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘অ্যাডাপ্টিভ লার্নিং সিস্টেম’ ব্যবহার করে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য আলাদা ও নিখুঁত শেখার পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব, যা তাদের গড়ে তুলবে আগামীর দক্ষ নাগরিক হিসেবে ।
বেস্টসেলার বই বিশেষ ছাড়
160.00 ৳ 200.00 ৳

  • Format
Terms and Conditions
30-day money-back guarantee
Shipping: 2-3 Business Days

Terms and Conditions
Multiple Payment Methods:
Credit/Debit card, bKash, Rocket, Nagad, Cash on Delivery is also available

7 Days Happy Return Change of mind is not applicable

Delivery Charge
Inside Dhaka City Tk. 50
Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh) Tk. 100

মানুষের বুদ্ধির এক্সটেনশন ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বনাম আমাদের সনাতন শিক্ষা: আপনি কোন পক্ষে?

আমরা কি আমাদের সন্তানদের এমন এক ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করছি যেখানে তাদের দক্ষতা হবে অকেজো? নাকি তাদের হাতে তুলে দিচ্ছি এমন হাতিয়ার যা তাদের করে তুলবে ‘সুপার হিউম্যান’? মানুষ যদি বিমান বানিয়ে পাখির মতো উড়তে পারে, তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে কেন শিক্ষার শিখরে পৌঁছাতে পারবে না?

আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় একজন ছাত্র আগের ক্লাসের পড়া ৫০ শতাংশ না বুঝেই পরের ক্লাসে উঠে যায়। এই ‘নলেজ গ্যাপ’ জমতে জমতে একসময় সে অঙ্ক বা বিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলোতে হাল ছেড়ে দেয় । লেখক রকিবুল হাসান তার ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় শিক্ষাব্যবস্থা’ বইটিতে দেখিয়েছেন, সমস্যাটা ছাত্রদের মস্তিষ্কে নয়, সমস্যাটা ‘টাইম-বেসড’ শিক্ষাপদ্ধতিতে।

খান একাডেমি বা ব্লুমের ‘টু সিগমা প্রবলেম’-এর মতো বিশ্বখ্যাত গবেষণার আলোকে লেখক ব্যাখ্যা করেছেন ‘মাস্টারি লার্নিং’-এর ধারণা । তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিক্ষকের বিকল্প না হয়ে বরং শিক্ষকের ‘কো-পাইলট’ বা শক্তিশালী টুল হিসেবে কাজ করবে । বাংলাদেশ কীভাবে ১০ বছরের পরিকল্পনায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষাক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাতে পারে, তার এক বাস্তবসম্মত ব্লু-প্রিন্ট এই বই ।

কেন এই বইটি আপনার সংগ্রহে থাকা জরুরি?

✅ পার্সোনালাইজড লার্নিংয়ের জাদু: জানুন কীভাবে এআই প্রতিটি ছাত্রের মেধা ও দুর্বলতা বুঝে আলাদাভাবে শেখাতে পারে, ঠিক একজন প্রাইভেট টিউটরের মতো ।
✅ নলেজ গ্যাপের সমাধান: কেন আমরা ভাবি আমাদের ‘অঙ্কের জিন’ নেই? এই ভুল ধারণা ভেঙে কীভাবে যেকোনো কঠিন বিষয় সহজে আয়ত্ত করা যায়, তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ।
✅ ভবিষ্যৎ শিক্ষকের ভূমিকা: এআই-এর যুগে শিক্ষকদের চাকরি যাবে না, বরং তারা হয়ে উঠবেন ক্লাসরুমের ‘পাইলট’ বা ‘রকস্টার’। জানুন শিক্ষকদের নতুন ভূমিকা সম্পর্কে ।
✅ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট: উন্নত বিশ্বের অন্ধ অনুকরণ নয়, বরং বাংলাদেশের বাস্তবতায় (যেমন: ব্যানবেইস, ইউনিক আইডি) কীভাবে এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা সম্ভব, তার রূপরেখা ।

লেখক পরিচিতি: সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কোরের প্রাক্তন কর্মকর্তা থেকে বিটিআরসি ও এনটিএমসি-র মতো সংস্থার নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করা রকিবুল হাসান টেকনোলজি ও ডেটার এক অনন্য সমন্বয়ক। ‘উৎকর্ষের সন্ধানে বাংলাদেশ’ সিরিজের এটি তার দ্বিতীয় বই ।

গ্যারান্টি: বইটির মূল প্রকাশক ‘আদর্শ’র কাছ থেকেই বইটি কিনলে পাচ্ছেন সবচেয়ে কম দামে অরজিনাল বই পাওয়ার নিশ্চয়তা। তাই দেরি না করে বইটি এখনই সংগ্রহ করুন।

author image

রকিবুল হাসান

স্কুলে থাকতেই রেডিও কমিউনিকেশন নিয়ে ভালোবাসায় পড়ে যান রকিবুল হাসান। ১৯৭০ সালে ঢাকায় জন্ম নেওয়া লেখকের ছোটবেলার ঢাকার স্কাইলাইন ফাঁকা ছিল অনেকটাই। ফলে বাসার ছাদই পাল্টে গিয়েছিল ‘রেডিও অ্যানটেনা’ হিসেবে। দূরের দুর্বল সিগন্যালকে ‘অ্যামপ্লিফাই’ করার ধারণা নিতে নিতেই চলে যেতে হয় ক্যাডেট কলেজে। ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনের প্রতি ‘অসম্ভব’ দুর্বলতা তাকে নিয়ে আসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কোরে। মার্কিন সেনাবাহিনীর সিগন্যাল স্কুল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত সরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে সত্তরের বেশি দেশি-বিদেশি ট্রেনিং জুটেছে তার অভিজ্ঞতার ঝুলিতে। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন এবং ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের প্রায় ১৩ বছরের অভিজ্ঞতা দিয়েছে অন্যভাবে চিন্তা করতে। সরাসরি কাজ করেছেন বিলিয়ন ডেটা রেকর্ডকে সরকারি প্রজ্ঞায় যুক্ত করতে। ২০০৯ সালে জাতীয় স্কেলে প্রতিটি টেলিকম অপারেটরের বিলিয়ন মিনিটের ‘ইন্টারকানেকশন ভয়েস কল কস্ট মডেলিং’ তৈরিতে সহযোগিতা করতে গিয়ে তার ধারণা পাল্টায় ডেটার ব্যাপারে। সরকারি কাজের ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে বড় বড় ডেটা ইন্টারমেডিয়ারি (গুগল, ফেসবুক ইত্যাদি) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার (আইটিইউ, বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য এজেন্সি) সঙ্গে যোগসূত্র হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে সরকারি ‘ন্যাশনাল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপমেন্ট’ ওয়ার্কিং গ্রুপকে সহযোগিতা করছেন। পাশাপাশি ‘বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস’-এ ‘পিএইচডি রিসার্চার’ হিসেবে কাজ করছেন নীতিনির্ধারকদের জন্য সরকারি ডেটা ব্যবহারের দক্ষ ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে। বর্তমানে তিনি লিংক৩-তে ‘চিফ টেকনোলজি অফিসার’ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

Title

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় শিক্ষাব্যবস্থা

Author

রকিবুল হাসান

Publisher

আদর্শ

Edition

1st Published, 2024

Number of Pages

80

Country

Bangladesh

Language

Bengali / বাংলা

Format

Hard Cover

Category

  • Artificial Intelligence
  • মানুষের বুদ্ধির এক্সটেনশন ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বনাম আমাদের সনাতন শিক্ষা: আপনি কোন পক্ষে?

    আমরা কি আমাদের সন্তানদের এমন এক ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করছি যেখানে তাদের দক্ষতা হবে অকেজো? নাকি তাদের হাতে তুলে দিচ্ছি এমন হাতিয়ার যা তাদের করে তুলবে ‘সুপার হিউম্যান’? মানুষ যদি বিমান বানিয়ে পাখির মতো উড়তে পারে, তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে কেন শিক্ষার শিখরে পৌঁছাতে পারবে না?

    আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় একজন ছাত্র আগের ক্লাসের পড়া ৫০ শতাংশ না বুঝেই পরের ক্লাসে উঠে যায়। এই ‘নলেজ গ্যাপ’ জমতে জমতে একসময় সে অঙ্ক বা বিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলোতে হাল ছেড়ে দেয় । লেখক রকিবুল হাসান তার ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় শিক্ষাব্যবস্থা’ বইটিতে দেখিয়েছেন, সমস্যাটা ছাত্রদের মস্তিষ্কে নয়, সমস্যাটা ‘টাইম-বেসড’ শিক্ষাপদ্ধতিতে।

    খান একাডেমি বা ব্লুমের ‘টু সিগমা প্রবলেম’-এর মতো বিশ্বখ্যাত গবেষণার আলোকে লেখক ব্যাখ্যা করেছেন ‘মাস্টারি লার্নিং’-এর ধারণা । তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিক্ষকের বিকল্প না হয়ে বরং শিক্ষকের ‘কো-পাইলট’ বা শক্তিশালী টুল হিসেবে কাজ করবে । বাংলাদেশ কীভাবে ১০ বছরের পরিকল্পনায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষাক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাতে পারে, তার এক বাস্তবসম্মত ব্লু-প্রিন্ট এই বই ।

    কেন এই বইটি আপনার সংগ্রহে থাকা জরুরি?

    ✅ পার্সোনালাইজড লার্নিংয়ের জাদু: জানুন কীভাবে এআই প্রতিটি ছাত্রের মেধা ও দুর্বলতা বুঝে আলাদাভাবে শেখাতে পারে, ঠিক একজন প্রাইভেট টিউটরের মতো ।
    ✅ নলেজ গ্যাপের সমাধান: কেন আমরা ভাবি আমাদের ‘অঙ্কের জিন’ নেই? এই ভুল ধারণা ভেঙে কীভাবে যেকোনো কঠিন বিষয় সহজে আয়ত্ত করা যায়, তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ।
    ✅ ভবিষ্যৎ শিক্ষকের ভূমিকা: এআই-এর যুগে শিক্ষকদের চাকরি যাবে না, বরং তারা হয়ে উঠবেন ক্লাসরুমের ‘পাইলট’ বা ‘রকস্টার’। জানুন শিক্ষকদের নতুন ভূমিকা সম্পর্কে ।
    ✅ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট: উন্নত বিশ্বের অন্ধ অনুকরণ নয়, বরং বাংলাদেশের বাস্তবতায় (যেমন: ব্যানবেইস, ইউনিক আইডি) কীভাবে এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা সম্ভব, তার রূপরেখা ।

    লেখক পরিচিতি: সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কোরের প্রাক্তন কর্মকর্তা থেকে বিটিআরসি ও এনটিএমসি-র মতো সংস্থার নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করা রকিবুল হাসান টেকনোলজি ও ডেটার এক অনন্য সমন্বয়ক। ‘উৎকর্ষের সন্ধানে বাংলাদেশ’ সিরিজের এটি তার দ্বিতীয় বই ।

    গ্যারান্টি: বইটির মূল প্রকাশক ‘আদর্শ’র কাছ থেকেই বইটি কিনলে পাচ্ছেন সবচেয়ে কম দামে অরজিনাল বই পাওয়ার নিশ্চয়তা। তাই দেরি না করে বইটি এখনই সংগ্রহ করুন।

    Specifications

    Format Hardcover