নিখোঁজ মানুষের জবানবন্দি নাকি ফেলে আসা স্বজনদের নীরব হাহাকার? সমকালীন ঢাকার এক নির্মম বাস্তবচিত্র
ঢাকা শহরে চোখের আড়ালে কোনো কাজ করার উপায় নেই, অথচ চোখের পলকেই এই শহর থেকে মানুষ হারিয়ে যায় । ফরিদও হারিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ফরিদের এই হারিয়ে যাওয়া কি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো সমীকরণ?
উপন্যাসের নায়ক ফরিদ একজন সাধারণ করপোরেট চাকুরিজীবী । একদিন অফিস শেষে বাড়ি ফেরার পথে সে নিখোঁজ হয়। ফরিদের অন্তর্ধান এলোমেলো করে দেয় তার মধ্যবিত্ত বাবা-মায়ের সাজানো সংসার । এই সংকটময় মুহূর্তে ত্রাতা হয়ে আসে ফরিদের প্রেমিকা মুনা। যে মেয়েটি ফরিদের ‘চন্দ্রমুখী’ হতে চেয়েছিল, সে-ই কাঁধে তুলে নেয় ফরিদের বাবা-মায়ের দায়িত্ব ।
‘চন্দ্রমুখী’ কেবল একটি নিখোঁজ রহস্যের গল্প নয়। এটি এমন এক উপন্যাস যেখানে সমান্তরালভাবে চলেছে টক-শো নির্ভর সাংবাদিকতার ভণ্ডামি, পুলিশের নির্লিপ্ততা এবং মানুষের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে গড়ে ওঠা প্রতারক চক্রের নিষ্ঠুর তামাশা । আশীফ এন্তাজ রবি তার স্বভাবসুলভ রসবোধ বা ‘ডার্ক হিউমার’ দিয়ে এমন এক আখ্যান তৈরি করেছেন, যা আপনাকে হাসাবে, কাঁদাবে এবং সবশেষে এক গভীর দীর্ঘশ্বাসের মুখোমুখি দাঁড় করাবে ।
কেন এই বইটি আপনার সংগ্রহে থাকা জরুরি?
✅ বাস্তবতার দর্পণ: গুম বা নিখোঁজ সংস্কৃতির আতঙ্কের ভেতর সাধারণ মানুষের অসহায়ত্বের নিপুণ চিত্রায়ন ।
✅ আবেগ ও সম্পর্কের রসায়ন: প্রেমিক নিখোঁজ হওয়ার পর প্রেমিকা কীভাবে সেই পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে, তার এক হৃদয়স্পর্শী বর্ণনা ।
✅ তীক্ষ্ণ সমাজলিপি: পুলিশি তদন্তের নামে প্রহসন, ভিউ-পাগল মিডিয়া এবং সুযোগসন্ধানী মানুষের মুখোশ উন্মোচন ।
✅ অপ্রত্যাশিত ট্যুইস্ট: গল্পের পরতে পরতে রহস্য এবং এমন এক সমাপ্তি যা আপনি হয়তো কল্পনাও করেননি ।
লেখক পরিচিতি: আশীফ এন্তাজ রবি সমকালীন বাংলা সাহিত্যের এক শক্তিশালী স্বর। তার লেখনীতে হিউমার এবং ট্র্যাজেডি হাত ধরাধরি করে চলে। ‘চন্দ্রমুখী’ উপন্যাসে তিনি প্রমাণ করেছেন, কীভাবে সাধারণ জীবনের গল্পকেও অসাধারণ উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া যায় ।
গ্যারান্টি: বইটির মূল প্রকাশক ‘আদর্শ’র কাছ থেকেই বইটি কিনলে পাচ্ছেন সবচেয়ে কম দামে অরিজিনাল বই পাওয়ার নিশ্চয়তা। তাই দেরি না করে বইটি এখনই সংগ্রহ করুন।















