Skip to Content

সাংস্কৃতিক পুঁজি ও নতুন বাংলাদেশ

অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠন ও আগামীর রাজনীতির বোঝাপড়া


1st Published, 2025
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতন হয়েছে ঠিকই, কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক সমাজ ও সংস্কৃতিতে দীর্ঘদিনের বিভাজন কি দূর হয়েছে? সেক্যুলার বনাম ইসলামি দ্বন্দ্ব এবং ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’র দলীয়করণ আমাদের রাষ্ট্রকে আজও ভঙ্গুর করে রেখেছে। মোহাম্মদ আজম তার ‘সাংস্কৃতিক পুঁজি ও নতুন বাংলাদেশ’ বইয়ে দেখিয়েছেন কীভাবে কৃত্রিম বিভেদ ঘুচিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠন সম্ভব। জেনজি প্রজন্মের নতুন ভাষা ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার এক সাহসী রোডম্যাপ এই বই।
বইমেলা ২০২৫
272.00 ৳ 340.00 ৳

  • Format
Terms and Conditions
30-day money-back guarantee
Shipping: 2-3 Business Days

Terms and Conditions
Multiple Payment Methods:
Credit/Debit card, bKash, Rocket, Nagad, Cash on Delivery is also available

7 Days Happy Return Change of mind is not applicable

Delivery Charge
Inside Dhaka City Tk. 50
Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh) Tk. 100

সরকার বদলই শেষ কথা নয়; সাংস্কৃতিক জাগরণ ছাড়া ‘নতুন বাংলাদেশ’ অসম্ভব!

জুলাই ২০২৪। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক উত্তুঙ্গ মুহূর্ত। শিক্ষার্থী-জনতার এই অভ্যুত্থান কি কেবল একটি স্বৈরাচারী সরকারের পতন? নাকি এটি কয়েক দশকের চাপিয়ে দেওয়া রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এক তীব্র সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ? আপনি যদি মনে করেন ক্ষমতার পরিবর্তনই বিপ্লব, তবে এই বইটি আপনার ভাবনাকে আমূল বদলে দেবে।

মোহাম্মদ আজম তার তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণে দেখিয়েছেন, আমাদের রাষ্ট্র গঠনের প্রধান অন্তরায় হলো ‘প্রগতিশীলতা বনাম ইসলাম’-এর কৃত্রিম বুদ্ধিবৃত্তিক বিভাজন। গত পনেরো বছরে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’কে ব্যবহার করে কীভাবে একটি ফ্যাসিবাদী কাঠামো তৈরি হয়েছিল এবং কীভাবে জেনজি (Gen-Z) প্রজন্ম সেই পুরনো রাজনৈতিক ভাষাকে নাকচ করে এক নতুন ‘এজমালি ভাষা’ বা ঐক্যের ডাক দিয়েছে— তা এই বইয়ের মূল উপজীব্য।

বইটিতে লেখক কেবল সমস্যার ব্যবচ্ছেদ করেননি, তিনি দিয়েছেন সমাধানের পথ। শিক্ষায় জিডিপির অন্তত ৪ শতাংশ বরাদ্দ, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে রাষ্ট্রের মূলধারায় নিয়ে আসা এবং তথ্য-প্রযুক্তির বিপ্লবকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে একটি উদার-গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা যায়— তার বাস্তবসম্মত প্রস্তাবনা উঠে এসেছে প্রতিটি অধ্যায়ে। এটি কেবল তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, এটি চব্বিশের অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের জন্য একটি জরুরি ‘অ্যাকশন প্ল্যান’।

কেন এই বইটি আপনার সংগ্রহে থাকা জরুরি?

✅ অভ্যুত্থানের প্রকৃত স্বরূপ: চব্বিশের আন্দোলন কেন নিছক রাজনৈতিক নয়, বরং একটি ‘সাংস্কৃতিক পুঁজি’র উত্থান— তা বুঝতে পারবেন। 
✅ বিভেদহীন রাজনীতির পাঠ: সেক্যুলার ও ইসলামি চিন্তাধারার মানুষদের মধ্যকার ‘ফোবিয়া’ বা ভীতি দূর করে কীভাবে একত্রে রাষ্ট্র গঠন করা যায়, তার দিকনির্দেশনা পাবেন। 
✅ শিক্ষা ও প্রযুক্তি সংস্কার: শিক্ষাব্যবস্থা ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে গরিব রাষ্ট্রের ধনী হওয়ার উপায় সম্পর্কে লেখকের বৈপ্লবিক ভাবনা আপনাকে নতুন করে ভাবতে শেখাবে। 
✅ ইতিহাসের নতুন পাঠ: ১৯৪৭, ১৯৫২ এবং ১৯৭১-কে পরস্পরের বিরোধী না ভেবে কীভাবে ধারাবাহিকতার আলোকে দেখা উচিত, সেই নতুন দৃষ্টিভঙ্গি পাবেন।

লেখক পরিচিতি: মোহাম্মদ আজম—যিনি প্রথাগত অ্যাকাডেমিক গণ্ডি পেরিয়ে হয়ে উঠেছেন বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান চিন্তক। তার বিশ্লেষণ মানেই প্রচলিত বয়ানের বাইরে গিয়ে শেকড়সন্ধানী বোঝাপড়া।

গ্যারান্টি: বইটির মূল প্রকাশক ‘আদর্শ’র কাছ থেকেই বইটি কিনলে পাচ্ছেন সবচেয়ে কম দামে অরিজিনাল বই পাওয়ার নিশ্চয়তা। তাই দেরি না করে বইটি এখনই সংগ্রহ করুন।

author image

মোহাম্মদ আজম

মোহাম্মদ আজম বাংলা একাডেমির ১৯তম মহাপরিচালক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। তার জন্ম ২৩ আগস্ট, ১৯৭৫ নোয়াখালীর হাতিয়ায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে এমএ এবং পিএইচডি। তার পিএইচডি গবেষণার বিষয় 'বাংলা ভাষার উপনিবেশায়ন ও বি-উপনিবেশায়ন। তিনি প্রবন্ধ ও সমালোচনা লিখে থাকেন। তার আগ্রহের বিষয় সাহিত্য, নন্দনতত্ত্ব, ইতিহাস, রাজনীতি ও সংস্কৃতি অধ্যয়ন। অনুবাদ করেছেন গুরুত্বপূর্ণ কিছু তাত্ত্বিক রচনা। প্রকাশিত গ্রন্থ: 'বাংলা ভাষার উপনিবেশায়ন ও রবীন্দ্রনাথ' (২০১৪: তৃতীয় মুদ্রণ ২০২৪); 'নির্বাচিত কবিতা: সৈয়দ আলী আহসান' [সম্পাদনা, ২০১৬); বাংলা ও প্রমিত বাংলা সমাচার [২০১৯; তৃতীয় মুদ্রণ ২০২৪); কবি ও কবিতার সন্ধানে [২০২০; দ্বিতীয় মুদ্রণ ২০২৩); হুমায়ূন আহমেদ: পাঠপদ্ধতি ও তাৎপর্য। ২০২০); বিষয় সিনেমা: তিনটি অনুদিত প্রবন্ধ [অনুবাদ, ২০২০); সাংস্কৃতিক রাজনীতি ও বাংলাদেশ [২০২২], নির্বাচিত কবিতা: কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদনা, ২০২২); মিখাইল বাখতিন: যাপিত জীবন ভাষা ও উপন্যাস। ২০২৩]; চিন্তার মুসিবত: তালাল আসাদের বাতচিত। যৌথ অনুবাদ ও সম্পাদনা, ২০২৩; তৃতীয় মুদ্রণ ২০২৪]। সম্পাদনা করছেন চিন্তামূলক প্রবন্ধের কাগজ তত্ত্বতালাশ।

Title

সাংস্কৃতিক পুঁজি ও নতুন বাংলাদেশ

Author

মোহাম্মদ আজম

Publisher

আদর্শ

ISBN

978-984-3947-01-7

Edition

1st Published, 2025

Number of Pages

160

Country

Bangladesh

Language

Bengali / বাংলা

Format

Hard Cover

Category

  • Development
  • সরকার বদলই শেষ কথা নয়; সাংস্কৃতিক জাগরণ ছাড়া ‘নতুন বাংলাদেশ’ অসম্ভব!

    জুলাই ২০২৪। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক উত্তুঙ্গ মুহূর্ত। শিক্ষার্থী-জনতার এই অভ্যুত্থান কি কেবল একটি স্বৈরাচারী সরকারের পতন? নাকি এটি কয়েক দশকের চাপিয়ে দেওয়া রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এক তীব্র সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ? আপনি যদি মনে করেন ক্ষমতার পরিবর্তনই বিপ্লব, তবে এই বইটি আপনার ভাবনাকে আমূল বদলে দেবে।

    মোহাম্মদ আজম তার তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণে দেখিয়েছেন, আমাদের রাষ্ট্র গঠনের প্রধান অন্তরায় হলো ‘প্রগতিশীলতা বনাম ইসলাম’-এর কৃত্রিম বুদ্ধিবৃত্তিক বিভাজন। গত পনেরো বছরে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’কে ব্যবহার করে কীভাবে একটি ফ্যাসিবাদী কাঠামো তৈরি হয়েছিল এবং কীভাবে জেনজি (Gen-Z) প্রজন্ম সেই পুরনো রাজনৈতিক ভাষাকে নাকচ করে এক নতুন ‘এজমালি ভাষা’ বা ঐক্যের ডাক দিয়েছে— তা এই বইয়ের মূল উপজীব্য।

    বইটিতে লেখক কেবল সমস্যার ব্যবচ্ছেদ করেননি, তিনি দিয়েছেন সমাধানের পথ। শিক্ষায় জিডিপির অন্তত ৪ শতাংশ বরাদ্দ, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে রাষ্ট্রের মূলধারায় নিয়ে আসা এবং তথ্য-প্রযুক্তির বিপ্লবকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে একটি উদার-গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা যায়— তার বাস্তবসম্মত প্রস্তাবনা উঠে এসেছে প্রতিটি অধ্যায়ে। এটি কেবল তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, এটি চব্বিশের অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের জন্য একটি জরুরি ‘অ্যাকশন প্ল্যান’।

    কেন এই বইটি আপনার সংগ্রহে থাকা জরুরি?

    ✅ অভ্যুত্থানের প্রকৃত স্বরূপ: চব্বিশের আন্দোলন কেন নিছক রাজনৈতিক নয়, বরং একটি ‘সাংস্কৃতিক পুঁজি’র উত্থান— তা বুঝতে পারবেন। 
    ✅ বিভেদহীন রাজনীতির পাঠ: সেক্যুলার ও ইসলামি চিন্তাধারার মানুষদের মধ্যকার ‘ফোবিয়া’ বা ভীতি দূর করে কীভাবে একত্রে রাষ্ট্র গঠন করা যায়, তার দিকনির্দেশনা পাবেন। 
    ✅ শিক্ষা ও প্রযুক্তি সংস্কার: শিক্ষাব্যবস্থা ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে গরিব রাষ্ট্রের ধনী হওয়ার উপায় সম্পর্কে লেখকের বৈপ্লবিক ভাবনা আপনাকে নতুন করে ভাবতে শেখাবে। 
    ✅ ইতিহাসের নতুন পাঠ: ১৯৪৭, ১৯৫২ এবং ১৯৭১-কে পরস্পরের বিরোধী না ভেবে কীভাবে ধারাবাহিকতার আলোকে দেখা উচিত, সেই নতুন দৃষ্টিভঙ্গি পাবেন।

    লেখক পরিচিতি: মোহাম্মদ আজম—যিনি প্রথাগত অ্যাকাডেমিক গণ্ডি পেরিয়ে হয়ে উঠেছেন বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান চিন্তক। তার বিশ্লেষণ মানেই প্রচলিত বয়ানের বাইরে গিয়ে শেকড়সন্ধানী বোঝাপড়া।

    গ্যারান্টি: বইটির মূল প্রকাশক ‘আদর্শ’র কাছ থেকেই বইটি কিনলে পাচ্ছেন সবচেয়ে কম দামে অরিজিনাল বই পাওয়ার নিশ্চয়তা। তাই দেরি না করে বইটি এখনই সংগ্রহ করুন।

    Specifications

    Format Hardcover