ক্ষমতার অন্ধকূপ থেকে মুক্তির পথ: রাষ্ট্র কেন সহিংস হয়ে ওঠে?
আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যেখানে ‘রাষ্ট্র’ নিজেই নাগরিকের নিরাপত্তার প্রধান হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনি কি ভেবে দেখেছেন, কেন প্রতিবার নির্বাচনের আগে ও পরে আমাদের জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে? কেন জনগণ তার নিজের রাষ্ট্রেই প্রজার মতো আচরণ পায়?
‘মারণ-রাজনীতি’ গতানুগতিক কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষণ নয়; এটি বাংলাদেশের বর্তমান ফ্যাসিবাদী বাস্তবতার এক নির্মম দলিল। গত ৭ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে ক্রসফায়ার, গুম এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো নিবর্তনমূলক কাঠামোর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে এই বইয়ে।
সারোয়ার তুষার ও সহুল আহমদ কেবল সমস্যার কথা বলেননি, তাঁরা দেখিয়েছেন সংকটের গভীরে থাকা সাংবিধানিক স্বৈরতন্ত্রকে। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কীভাবে সংসদকে অকার্যকর করে এবং প্রধানমন্ত্রীর হাতে একচ্ছত্র ক্ষমতা তুলে দেয়—তার স্পষ্ট বিশ্লেষণ আপনাকে চমকে দেবে। বিএনপি বা আওয়ামী লীগ—ক্ষমতার পালাবদল হলেও কেন সাধারণ মানুষের ভাগ্য বদলায় না, তার উত্তর মিলবে এই বইয়ের পাতায়।
কেন এই বইটি আপনার সংগ্রহে থাকা জরুরি?
✅ রাষ্ট্রীয় সহিংসতার স্বরূপ উন্মোচন: ক্রসফায়ার ও গুমের আইনি এবং বেআইনি ভিত্তির বিস্তারিত বিশ্লেষণ।
✅ বাক্স্বাধীনতার শিকল: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট কীভাবে নাগরিকের কণ্ঠরোধ করছে, তার বোঝাপড়া।
✅ সংবিধান বনাম জনস্বার্থ: সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ ও একনায়কতান্ত্রিক ক্ষমতা কাঠামোর ক্ষুরধার সমালোচনা।
✅ ভবিষ্যতের রূপরেখা: নিছক তত্ত্বাবধায়ক সরকার নয়, বরং একটি নতুন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের প্রস্তাবনা।
লেখক পরিচিতি: রাষ্ট্রচিন্তা ও রাজনৈতিক দর্শনের গভীর বোঝাপড়া থেকে সারোয়ার তুষার ও সহুল আহমদ যৌথভাবে এই গ্রন্থটি রচনা করেছেন। গতানুগতিক বুদ্ধিজীবীতার বাইরে গিয়ে তাঁরা সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন রাষ্ট্রের ঔপনিবেশিক চরিত্র নিয়ে।
গ্যারান্টি: বইটির মূল প্রকাশক ‘আদর্শ’র কাছ থেকেই বইটি কিনলে পাচ্ছেন সবচেয়ে কম দামে অরিজিনাল বই পাওয়ার নিশ্চয়তা। তাই দেরি না করে বইটি এখনই সংগ্রহ করুন।














