যে বই আপনাকে শেখাবে ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে না গিয়ে কীভাবে নিজের ‘সিগনেচার’ তৈরি করতে হয়
১৯৯৮ সাল। তখনো দেশে মোবাইল নেটওয়ার্ক ঠিকমতো দাঁড়ায়নি, অথচ তখনই কেউ একজন স্বপ্ন দেখেছিলেন—একদিন মোবাইলেই আমরা অনলাইন গেম খেলব! সেই ভিশনারি চিন্তাই আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তি। আপনি কি কেবল স্রোতের সঙ্গে চলতে চান, নাকি ভবিষ্যতের আগেই নিজেকে প্রস্তুত করতে চান?
‘ওয়্যারলেস টু ক্যাশলেস’ কেবল একটি বই নয়, এটি বাংলাদেশের টেলিকম ও ফিনটেক ইন্ডাস্ট্রির বেড়ে ওঠার সাক্ষী। লেখক রেজাউল হোসেন তাঁর দীর্ঘ করপোরেট জীবনের অভিজ্ঞতার নির্যাস ঢেলে দিয়েছেন এই বইয়ে। এখানে তাত্ত্বিক কোনো জ্ঞান কপচানো হয়নি; বরং আছে মাঠপর্যায়ের সেলস, স্ট্রাকচার এবং মার্কেটিং প্রসেসের বাস্তব সব উদাহরণ।
অধিকাংশ নতুন উদ্যোক্তাই ভুল করেন এমন ব্যবসায় নেমে—যা আমজনতা সহজেই বোঝে। কিন্তু লেখকের মতে, সফল হতে হলে আপনাকে এমন কিছু করতে হবে যা ইউনিক এবং যেখানে আপনার এক্সপার্টিজ আছে। কীভাবে একটি সাধারণ আইডিয়াকে ভ্যালু-ড্রিভেন ব্যবসায় রূপান্তর করবেন, কীভাবে ক্যাশলেস ইকোনমির যুগে নিজেকে এবং নিজের প্রতিষ্ঠানকে প্রাসঙ্গিক রাখবেন—তার উত্তর মিলবে এই বইয়ের পাতায় পাতায়।
কেন এই বইটি আপনার সংগ্রহে থাকা জরুরি?
✅ টেলিকম টু ফিনটেক: বাংলাদেশের মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে ডিজিটাল লেনদেনের (Cashless) রোমাঞ্চকর যাত্রার পেছনের গল্প।
✅ ব্যবসায়িক দর্শন: ‘সবাই যা করে, তা না করা’—কেন ইউনিক ব্যবসায় নামা উচিত, তার স্ট্র্যাটেজিক বিশ্লেষণ।
✅ সেলস ও মার্কেটিং: জটিল কোনো থিওরি নয়, বরং অভিজ্ঞতার আলোকে সেলস ও মার্কেটিংয়ের কার্যকরী সব টেকনিক।
✅ ফিউচার রেডি: প্রযুক্তি ও বাজারের পরিবর্তনকে আগে থেকেই আঁচ করার বা ‘ফোরকাস্ট’ করার মানসিকতা তৈরি করবে এই বই।
লেখক পরিচিতি: বাংলাদেশের করপোরেট জগতে রেজাউল হোসেন একটি ব্র্যান্ডের নাম, যিনি টেলিকম ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে (MFS) নেতৃত্ব দিয়েছেন একেবারে সামনে থেকে।
গ্যারান্টি: বইটির মূল প্রকাশক ‘আদর্শ’র কাছ থেকেই বইটি কিনলে পাচ্ছেন সবচেয়ে কম দামে অরিজিনাল বই পাওয়ার নিশ্চয়তা। তাই দেরি না করে বইটি এখনই সংগ্রহ করুন।





















