বিস্মৃতির অতল থেকে ফিরে দেখা একাত্তরের এক কোটি ঘরছাড়া মানুষের দগ্ধ ইতিহাস!
ইতিহাস কেবল বিজয়ীর গল্প নয়, ইতিহাস সেই ঘরহারা মানুষেরও যারা ভিটেমাটি হারিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পা বাড়িয়েছিলেন। আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, শরণার্থী শিবিরের সেই অনিশ্চিত দিনগুলো একজন মানুষের অস্তিত্বকে কীভাবে বদলে দিয়েছিল?
প্লাবন গাঙ্গুলীর ‘দগ্ধশুদ্ধকাল’ কেবল একাত্তরের শরণার্থী জীবনের বর্ণনা নয়; এটি একটি গভীর বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান। লেখক এখানে সমাজবিজ্ঞান, নৃবিজ্ঞান এবং সেমিয়োটিকসের আলোকে বিশ্লেষণ করেছেন সেই সময়কে, যখন কোটি মানুষের জীবন এক লহমায় বদলে গিয়েছিল। বইটিতে একদিকে যেমন আছে বাস্তুচ্যুত মানুষের হাহাকার, অন্যদিকে আছে ইতিহাসের ‘অবস্মৃতি’ বা ভুলে যাওয়ার প্রবণতাকে চ্যালেঞ্জ করার এক বলিষ্ঠ চেষ্টা।
স্মৃতি কীভাবে আমাদের পরিচয় গড়ে দেয় আর বিস্মৃতি কীভাবে আমাদের শিকড় থেকে বিচ্ছিন্ন করে, তার এক অনন্য সমন্বয় এই বই। এটি পাঠ করার অর্থ হলো বাংলাদেশের জন্ম-ইতিহাসের এক অপরিহার্য কিন্তু অবহেলিত অধ্যায়ের মুখোমুখি হওয়া।
কেন এই বইটি আপনার সংগ্রহে থাকা জরুরি?
✅ অনন্য বিশ্লেষণ: শরণার্থী জীবনের অকথিত স্মৃতি ও ভুলে যাওয়া ইতিহাসের এক তাত্ত্বিক ও সংবেদনশীল দলিলায়ন।
✅ গভীর অন্তর্দৃষ্টি: সেমিয়োটিকস এবং নৃবিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গিতে একাত্তরের পরিবর্তনের স্বরূপ উন্মোচন।
✅ স্মৃতির পুনরুদ্ধার: ইতিহাসের শুষ্ক পরিসংখ্যানে আটকে না থেকে মানুষের জীবন্ত অভিজ্ঞতার বয়ান।
✅ বোদ্ধা পাঠকের পছন্দ: যারা বাংলাদেশের ইতিহাসকে কেবল আবেগ দিয়ে নয়, বরং বুদ্ধিবৃত্তিক গভীরতা দিয়ে বুঝতে চান, তাদের জন্য এটি একটি আকর গ্রন্থ।
লেখক পরিচিতি: প্লাবন গাঙ্গুলী তার নির্মেদ গদ্য এবং তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ইতিহাসের ধূসর অধ্যায়গুলোকে পাঠকের সামনে জীবন্ত করে তুলতে পারদর্শী।
গ্যারান্টি: বইটির মূল প্রকাশক ‘আদর্শ’র কাছ থেকেই বইটি কিনলে পাচ্ছেন সবচেয়ে কম দামে অরিজিনাল বই পাওয়ার নিশ্চয়তা। তাই দেরি না করে বইটি এখনই সংগ্রহ করুন।

















