মহাবিশ্বের অন্যতম চালিকাশক্তি ‘আলো’ এবং ‘তড়িৎ-চুম্বক’কে চিনুন বিজ্ঞানের আতশ কাঁচ দিয়ে!
আপনি কি জানেন, আধুনিক প্রযুক্তির প্রতিটি রন্ধ্রে লুকিয়ে আছে তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গের খেলা? অথচ পাঠ্যবইয়ের জটিল সমীকরণের ভিড়ে এই রোমাঞ্চকর জগতটি আমাদের কাছে প্রায়ই দুর্বোধ্য থেকে যায়। সেখান থেকেই জন্ম নেয় পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি অনীহা।
‘আলো ও তড়িৎ-চুম্বক’ গতানুগতিক কোনো নোট গাইড নয়; এটি পদার্থবিজ্ঞানের একটি অ্যাডভান্সড জার্নি। লেখকদ্বয় বইটিতে ক্লাসিক্যাল ফিজিক্সের সাথে মডার্ন রিসার্চের এক দারুণ মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন।
বইটিতে কেবল ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণ বা আলোর সাধারণ ধর্ম নিয়েই আলোচনা করা হয়নি, বরং উঠে এসেছে ‘অপটিক্যাল ট্র্যাক্টর বিম’-এর মতো অত্যাধুনিক গবেষণার বিষয়। আলো কীভাবে বস্তুকে ধাক্কা দেয় (Pushing force) বা নিজের দিকে টেনে আনে (Pulling force)—এই বিস্ময়কর ঘটনাগুলোর গাণিতিক ও তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা এত সাবলীলভাবে দেওয়া হয়েছে যে, একজন কলেজ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের গবেষকও নতুন করে ভাবার খোরাক পাবেন।
কেন এই বইটি আপনার সংগ্রহে থাকা জরুরি?
✅ জটিলতার সহজ সমাধান: ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণ ও তড়িৎ-চুম্বকীয় তত্ত্বের ভীতি দূর করে স্বচ্ছ ধারণা প্রদান।
✅ অত্যাধুনিক টপিক: অপটিক্যাল পুশিং ও পুলিং ফোর্স এবং ট্র্যাক্টর বিম ইফেক্ট-এর মতো আধুনিক গবেষণালব্ধ বিষয় নিয়ে আলোচনা, যা সচরাচর বাংলা বইয়ে পাওয়া যায় না।
✅ পূর্ণাঙ্গ রেফারেন্স: পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি যারা পদার্থবিজ্ঞানকে গভীরভাবে জানতে চান, তাদের জন্য এটি একটি নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স বুক।
✅ সবার জন্য বিজ্ঞান: স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সহায়তার পাশাপাশি বিজ্ঞানপ্রেমী সাধারণ পাঠকের জন্যও বইটি সুখপাঠ্য।
লেখক পরিচিতি: মাহদী রহমান চৌধুরী এবং রাতুল খান—তাঁরা কেবল লেখক নন, পদার্থবিজ্ঞানের নিবেদিত গবেষক; যারা জটিল বিজ্ঞানকে মাতৃভাষায় সহজলভ্য করার ব্রত নিয়েছেন।
গ্যারান্টি: বইটির মূল প্রকাশক ‘আদর্শ’র কাছ থেকেই বইটি কিনলে পাচ্ছেন সবচেয়ে কম দামে অরিজিনাল বই পাওয়ার নিশ্চয়তা। তাই দেরি না করে বইটি এখনই সংগ্রহ করুন।



















